Friday, March 25, 2022

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

Posted by with No comments

 

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

 

বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ অনুযায়ী গড় স্বাক্ষরতার হার – ৫৭.৯%।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলমান উপাচার্য কে ছিলেন? – স্যার এ. এফ. রহমান।

বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন? – কুদরত-ই-খুদা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন – আর. সি. মজুমদার।

ব্রিটিশ ভারতে সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজির প্রবর্তন হয় – ১৮৩৫।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার নামে বোস চেয়ার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? – সত্যেন বসু।

বিখ্যাত ভারতীয় ব্রিটিশ সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরীর পৈতৃক বাসভূমি কোথায়? – বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কখন প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৮০০ সালে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯২১ সালে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য কে? – পি. জে. হার্টস।

আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন কে করেন? – স্যার সৈয়দ আহমদ।

কার্জন হল কবে নির্মিত হয়? – ১৯০৫ সালে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত কমিশনের নাম কী? – নাথান কমিশন। (১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিশন ১৯১২ সালে গঠিত হয়।)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যাক্ট পাস হয় কবে? – ১৯২০ সালে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯২১ সালে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি দান করেন কে? – নবাব সলিমুল্লাহ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে প্রথম ভি.সি. হওয়ার গৌরব অর্জন করেন কে? – ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন (১৯৪৮-১৯৫৩), ৬ষ্ঠ ভিসি।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি কে ছিলেন? – বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী (১৯৬৯-৭২)।

উপমহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর কে ছিলেন? – স্যার এ. এফ রহমান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মুসলমান ভিসি কে ছিলেন? – স্যার এ. এফ. রহমান (১৯৩৪-১৯৩৬), ৩য় ভিসি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিজি কে ছিলেন? – স্যার পি. জে হাটর্স (১৯২০-১৯২৫), ১ ডিসেম্বর ১৯২০ নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে? – ১৯২৩ সালে।

স্বাধীন বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে? – ১৮ ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালে, (৪০তম সমাবর্তন)।

১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন কে? – ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিএসসি ডিগ্রি প্রাপ্ত নোবেল বিজয়ী কারা? – ৩ জন। ১. সিভি রমন (ভারত), ২. আবদুস সালাম (পাকিস্তান) এবং ৩. অমর্ত্য সেন (ভারত)।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রাপ্তদের মধ্যে মোট কতজন নোবেল বিজয়ী হন? – ৫ জন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৫ খ্রি. পর্যন্ত কতজনকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হয়? – ৩০ জনকে। (ডক্টর অব লজ ২৭ জন, ডক্টর অব সায়েন্স ১৩ জন, ডক্টর অব লিটারেচার ১০ জন)

কত সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ‘ডক্টর অব লিটারেচার’ প্রদান করে?  ১৯৩৬ সালে।

কত সালে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‘ডক্টর অব লিটারেচার’ প্রদান করা হয়? – ১৯৭৪ সালে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে সর্বপ্রথম সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পান কে? – জি. সি. আই. (ডক্টর অব লজ), ১৯২২ সালে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বশেষ (২০১৫) সালে সম্মানসূচক ডক্টরেট অব লজ ডিগ্রি পেয়েছেন কে? – WIPA এর মহাপরিচালক অধ্যাপক ফ্রান্সিস ক্যারি (১৩ জানুয়ারি ২০১৫)

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯৫৩ সালে।

বর্তমানে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কয়টি? – ৩৭টি। (সর্বশেষ রবিন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, সিরাজগঞ্জ)।

বাংলাদেশের কতটি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে? – ৩১টি। (আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ ১টি এবং আর্মি মেডিকেল কলেজ ৫টি)

বিশ্ববিদ্যালয় মুঞ্জুরী কমিশন (UGC) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৮০০ সালে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯৪৬ সালে।

বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত গ্রাম কোনটি? – কচুবাড়ী কৃষ্টপুর, ঠাকুরগাঁও।

বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা কোনটি? – মাগুড়া।

মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে কোন জেলায় অক্ষরজ্ঞানের হার সর্বোচ্চ? – ঢাকা জেলায়।

মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে কোন জেলায় অক্ষরজ্ঞানের হার সর্বনিম্ন? – জামালপুর জেলায়, ৩৯.৫৫%।

আইনের আওতায় কবে বাংলাদেশে প্রথম বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়? – ১ জানুয়ারি, ১৯৯২ (৬৮টি থানায়)।

সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয় কত সালে? – ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩।

দেশে অবৈতনিক নারী শিক্ষা চালু রয়েছে কোন শ্রেণি পর্যন্ত? – স্নাতক।

বাংলাদেশে কখন থেকে খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি চালু করা হয়? – ১৯৯৩ সালে।

বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কী নামে পরিচিত? – ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন (১৯৭২ সালে)

বর্তমানে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার কত? – ৬২.৩%। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৫) ৬৫.৫%; (ব্যানবেইস রিপোর্ট-২০০১)।

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠা কাল

  • কলকাতা মাদ্রাসা (১৭৮১)
  • সংস্কৃত কলেজ (১৭৯১)
  • ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ (১৮০০)
  • ব্রাক্ষ্ম মন্দির (১৮১৭)
  • গৌড়ীয় সমাজের প্রতিষ্ঠা (১৮২৩)
  • তত্ত্ববোধিনী সভা (১৮৩৯)
  • কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় (১৮৫৭)
  • মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি (১৮৬৩)
  • বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি (১৯১১)
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯২১)
  • এশিয়াটিক সোসাইটি (১৯৫২)
  • বাংলা একাডেমি (১৯৫৫)
  • শিল্পকলা একাডেমি (১৯৭৪)
  • শিশু একাডেমি (১৯৭৭)
  • ঢাকা মেডিকেল কলেজ (১৯৪৬)

 

 

 

 

সাধারণ জ্ঞান : বিভিন্ন পরীক্ষায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ সম্পর্কে যত প্রশ্ন এসেছে

Posted by with No comments

 

সাধারণ জ্ঞান : বিভিন্ন পরীক্ষায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ সম্পর্কে যত প্রশ্ন এসেছে

 

বিভিন্ন পরীক্ষায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ সম্পর্কে যত প্রশ্ন এসেছে

১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। জাতির পিতার জন্মদিন উপলক্ষে তার রাজনৈতিক কর্মযজ্ঞ ও অন্যান্য বিষয়ে চাকরির পরীক্ষায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় আসা প্রশ্নাবলি নিয়ে আমাদের মার্চ মাসের আয়োজন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম তারিখ কত? — ১৭ মার্চ ১৯২০।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবসে উদযাপিত হয় — জাতীয় শিশু দিবস। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস — ১০ জানুয়ারি। 

জাতীয় শোক দিবস — ১৫ আগস্ট। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব বাংলার নতুন নামকরণ ‘বাংলাদেশ’ করেন — ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯। 

‘Poet of Politics’ বলা হয় কাকে? — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পান — ৮ জানুয়ারি ১৯৭২। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘রাজনীতির কবি’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন কে? — লোবেন জেঙ্কিল। 

বঙ্গবন্ধু ‘জুলিও কুরি’ পুরস্কার লাভ করেন ১৯৭২ সালের কত তারিখে? — ১০ অক্টোবর। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন? — আইন। 

আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন — যুগ্ম সম্পাদক।

ছয়দফা 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে তারিখে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন — ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬। 

বঙ্গবন্ধু-ঘোষিত ছয় দফা দাবির যে দফায় পৃথক মুদ্রাব্যবস্থার প্রসঙ্গ রয়েছে — ৩। 

১৯৬৬ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ছয় দফা দাবি সংক্রান্ত পুস্তিকাটির নাম কী ছিল? — আমাদের বাঁচার দাবি : ছয় দফা কর্মসূচি। 

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা 

বঙ্গবন্ধুসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামি সংখ্যা ছিল কত জন? — ৩৫ জন। 

জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ খেতাবে ভূষিত করা হয় — ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯। 

‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’ এ মামলা থেকে ১৯৬৯ সালের যে তারিখে পাকিস্তানি সরকার বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দেয় — ২২ ফেব্রুয়ারি।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে প্রসিকিউটর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন কে? — টমাস উইলিয়ামস। 

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি কে ছিলেন? — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

ভাষণ 

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে? — পঞ্চম তফসিল। 

বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে যে আন্দোলন চলছিল সেটি হলো — পূর্ব পাকিস্তানের অসহযোগ আন্দোলন। 

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু কোথায় ভাষণ দিয়েছিলেন? — রেসকোর্স ময়দানে। 

৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শে মুজিবুর রহমান কয় দফা দাবি পেশ করেন? — ৪ দফা।

৭ মার্চ ১৯৭১-এর বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মূল বক্তব্য কি ছিল? — স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সংগ্রামের ঘোষণা। 

জাতিসংঘের যততম সাধার অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজি রহমান বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন — ২৯তম। 

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম — ওরা ১১ জন। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশন বাংলায় বক্তৃতা দেন কোন সালে কত তারিখে? — ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪। 

ইউনেস্কো কবে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে? — ৩০ অক্টোবর ২০১৭। 

মুক্তিযুদ্ধ 

২৬ মার্চ ১৯৭১-এর স্বাধীনতা ঘোষণা বঙ্গবন্ধু জারী করেন — ওয়্যারলেসের মাধ্যমে। 

বঙ্গবন্ধুর ‘স্বাধীনতা ঘোষণা ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে কে প্রথম প্রচার করেন? — এম এ হান্নান। 

মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন? — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন? — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তৎকালীন যে সংস্থার ওয়্যারলেসের সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন — ইস্ট পাকিস্তান রাইফেল। 

মুক্তিযুদ্ধকালীন শেখ মুজিবুর রহমানকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল — পাকিস্তানের করাচি শহরের মিয়ানওয়ালি কারাগারে। 

অন্যান্য 

লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কবে যোগদান করেন? — ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪। 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রথম দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন — জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

বঙ্গবন্ধু কত সালে এবং কোন শহরে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন? — ১৯৭৩, আলজিয়ার্স। 

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম সংসদ নেতা কে? — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’ কোথায় অবস্থিত? — সুন্দরবনের দক্ষিণে। 

‘ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার’ যে বিষয়ে ঘোষিত হয়েছে — সৃষ্টিশীল অর্থনীতি। 

সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার যে ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পদক প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে — কৃষি। 

রাশিয়া ভ্রমণকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কোন কবির দেখা হয়েছিল? — নাজিম হিকমত। 

কোন প্রতিষ্ঠানের জরিপে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি নির্বাচিত হন? — বিবিসি। 

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে? — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিশেষ ফিল্ম তৈরি করছে — শ্যাম বেনেগাল। 

বঙ্গবন্ধু প্রথম কবে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন? — ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত কয়টায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন? — ১২টা ২০ মিনিটে। 

বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন তারিখে স্বাক্ষর করেন? — ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২। 

বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম টেকনোক্র্যাট অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন? — আজিজুর রহমান মল্লিক। 

নাওয়ামি অঙ্কিত চিত্রে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জন্মশত বার্ষিকী ও মুজিব বর্ষ নিচের কোন সময়কাল? — বর্তমানে মুজিববর্ষের মেয়াদকাল ১৭ মার্চ ২০২০-৩১ মার্চ ২০২২। 

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এ স্থান পাওয়া ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’ নির্মাণে কোন শস্যের চারা ব্যবহার করা হয়েছে? — ধান। 

গ্রন্থসমূহ 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী কত সাল পর্যন্ত অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়েছে? — ১৯৫৫ সাল। 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ প্রকাশিত হয় কোন সালে? — ২০১২। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী জাপানি ভাষায় অনুবাদকের নাম কি? — কাজুহিরো ওয়াতানাবে। 

সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দি নেশান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রন্থ কত সালে প্রকাশিত হয়? — ২০১৮। 

বঙ্গবন্ধুর লেখা ‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থের ইংরেজি ভাষার অনুবাদক কে? — অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম। 

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের লেখক — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র বর্ণনানুসারে বঙ্গবন্ধু ঢাকা জেলে কি কাজ করতেন? — মালির কাজ। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেল জীবনের ওপর রচিত বইয়ের নাম কী? — ৩০৫৩ দিন। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ইংরেজি অনুবাদ করেন — ফকরুল আলম। 

‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ -এর কোন খণ্ড সম্প্রতি বের হয়েছে? — ১ম

 

 

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান

Posted by with No comments

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান



বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান

বাংলাদেশের আয়তন কত? – ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিঃ মিঃ।

আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান কত? – ৯০ তম।

পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি? – বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের কোন অঞ্চল এবং কতখানি জায়গা নিয়ে বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত? – রাজশাহী অঞ্চলে প্রায় ৯৩২০ বর্গ কিঃ মিঃ।

মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় কোথায় অবস্থিত? – গাজীপুর, ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইল।

মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ে আয়তন কত? – প্রায় ৪৩১০ কিঃ মিঃ।

লালমাই পাহাড়ের আয়তন এবং গড় উচ্চতা কত? – আয়তন ৩৩.৬৫ বর্গ কিঃমিঃ এবং গড় উচ্চতা ২১ মি:

বাংলাদেশের পলল সমভুমি এলাকার আয়তন কত? – প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গ কিঃমিঃ।

পস্নাবন ভুমি এলাকার গড় উচ্চতা কত? – সমুদ্র পৃষ্ট হতে প্রায় ৯.১৪ মিটার বা ৩০ ফুট।

সমুদ্র তল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা কত? – ৩৭.৫০ মিটার।

সমুদ্রতল থেকে বগুড়ার উচ্চতা কত ? – ২০ মিটার।

সমুদ্রতল থেকে নারায়নগঞ্জ এবং রাজশাহীর উচ্চতা কত? – ৮ মিটার।

বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য কত ? – ৫,১৩৮ কিলোমিটার। (৭১১ কিঃমিঃ সমুদ্র উপকূলসহ)

বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য কত ? – ৭১১ কিঃ মিঃ বা ৪২২ মাইল।

কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য কত ? – ১৫৫ কিলোমিটার।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত? – ১২ নটিক্যাল মাইল।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত? – ২০০ নটিক্যাল মাইল।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত কত? – ৪,১৫৬ কিঃমিঃ।(পশ্চিমবঙ্গ-২২৬২ কিঃমিঃ, আসাম-২৬৪ কিঃমিঃ, মেঘালয়-৪৩৬ কিঃমিঃ,ত্রিপুরা-৮৭৪ কিঃমিঃ ও মিজোরাম-৩২০ কিঃমিঃ)

ভারতের সাথে বাংলাদেশের অমিমাংশিত সীমান্ত কত? – ৬.৫ কিলোমিটার।(২০১১ সালে সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে, কিন্তু এখনও কোন দেশের সংসদে অনুমোদিত হয়নি)

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়? – ১৬ মে, ১৯৭৪।

মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত কত? – ২৭১ কিঃমিঃ।

বাংলাদেশের কোথায় কোথায় পর্বত আছে? – পার্বত্য চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেটে।

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে কোন দ্বীপ অবস্থিত? – সেন্টমার্টিন।

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি? – সেন্টমার্টিন।

দক্ষিণ তালপট্টির ভারতীয় নাম কি? – পূর্বাশা দ্বীপ বা নিউমুর।

দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্ত কোথায়? – লালমানরহাট জেলার পাটগ্রাম থানায়।

দহগ্রামের আয়তন কত? – ৩৫ বর্গ কিঃ মিঃ।

ভারতের ভেতরের বাংলাদেশের কতটি ছিটমহল আছে? – ৫১ টি।

বাংলাদেশী ছিটমহলগুলো ভারতের কোন জেলার অর্ন্তগত? – পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলার।

বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের কতটি ছিটমহল আছে? – ১১১টি। লালমনিরহাটে ৫৯টি, পঞ্চগড়ে ৩৬টি, নীলফামারীতে ৪টি এবং কুড়িগ্রামে ১২ টি।

ভারতের মধ্যে বাংলাদেশী ছিটমহলগুলোর আয়তন কত? – ৭১১০.০২ একর।

তিনবিঘা করিডোরের বিনিময়ে ভারতকে কোন ছিটমহল হস্তান্তর করে? – বেরুবাড়ী।

তিনবিঘা করিডরের পরিমাপ কত? – ১৭৮ মিটার ও ৮৫ মিটার।

কোন তারিখে তিনবিঘা করিডোর ভারত খুলে দেয়? – ২৬ জুন, ১৯৯২।

লালমনিরহাট জেলা থেকে তিনবিঘার দূরত্ব কত? – ৮০ মাইল।

আলুটিলা পাহাড় কোথায় অবস্থিত? – খাগড়াছড়ি জেলায়।

“চন্দ্রনাথের পাহাড়” কেন বিখ্যাত? – হিন্দুদের তীর্থ স্থানের জন্য।

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত থানা শহর কোনটি? – টেকনাফ।

বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে অবস্থিত থানা শহর কোনটি? – তেতুলিয়া।

বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে থানা শহর কোনটি? – শিবগঞ্জ (চাপাইনবাবগঞ্জ)

বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের উপজেলা কোনটি? – থানচি।

আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম থানা কোনটি? – শ্যামনগর।

বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষূদ্রতম থানা (আয়তনে)? – লালবাগ।

বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু পাহাড় কোনটি? – গারো পাহাড়।

লালমাই পাহাড় কোথায় অবস্থিত? – কুমিল্লা।

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি? – তাজিওডাং (বিজয়) উচ্চতা-১২৩১ মিটার।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি? – কেওক্রাডাং, উচ্চতা ১২৩০ মিটার।

দুবলার চর কোথায় অবস্থিত? – নোয়াখালী।

কোন জেলায় চর মানিক ও চর জব্বার অবস্থিত? – ভোলা জেলায়।

চর কুকড়ি মুকড়ি ও চর নিউটন কোথায় অবস্থিত? – ভোলা জেলার চরফ্যাশনে।

মুহুরীর চর কোথায় অবস্থিত? – ফেনী জেলায়।

বাংলাদেশের বৃহত্তম বিলের নাম কি? – চলনবিল।

চলনবিল কোথায় অবস্থিত? – পাবনা ও নাটোর জেলায়।

তামাবিল কোথায় অবস্থিত? – সিলেট জেলায়।

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর কোনটি? – হাকালুকি হাওর।

হাকালুকি হাওর কোথায় অবস্থিত? – সিলেট জেলায়।

বাংলাদেশের বিখ্যাত জলপ্রপাত কোনটি? – মাধবকুন্ড জলপ্রপাত।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত? – মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায়।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাতের উৎপত্তিস্থল কোথায়? – মৌলভীবাজার জেলায়।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাতে কতফুট ওপর থেকে পানি নিচে পতিত হয়? – ২৫০ ফুট।

বাংলাদেশের সাথে সরাসরি সীমান্ত যোগাযোগ আছে কোন কোন দেশের সাথে? – ভারত ও মায়ানমারের সাথে।

বাংলাদেশের সাথে ভারতের কয়টি রাজ্যের সীমান্ত আছে? – ৫ টি (পশ্বিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম)

কোন যুগে বাংলাদেশের পাহাড়সমূহ গঠিত হয়? – টারশিয়ারী যুগে।

ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোনটি? – চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।

বাংলাদেশের দক্ষিণে ভারতের কোন দ্বীপপুঞ্জ আছে? – আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ।

অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারী পাহাড়কে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে? – দুই ভাগে।

বাংলাদেশের মোট নদ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায়-? – ২৪,১৪০ বর্গ কিঃমিঃ।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নো ম্যানস ল্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়? – জিরো পয়েন্টে উভয় দিকে ৪৫০ ফুট পর্যন্ত জমি।

বাংলাদেশের আয়তন কত? – ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিঃ মিঃ।

আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান কত? – ৯০ তম।

পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ কোনটি? – বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের কোন অঞ্চল এবং কতখানি জায়গা নিয়ে বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত? – রাজশাহী অঞ্চলে প্রায় ৯৩২০ বর্গ কিঃ মিঃ।

মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় কোথায় অবস্থিত? – গাজীপুর, ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইল।

মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ে আয়তন কত? – প্রায় ৪৩১০ কিঃ মিঃ।

লালমাই পাহাড়ের আয়তন এবং গড় উচ্চতা কত? – আয়তন ৩৩.৬৫ বর্গ কিঃমিঃ এবং গড় উচ্চতা ২১ মি:

বাংলাদেশের পলল সমভুমি এলাকার আয়তন কত? – প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গ কিঃমিঃ।

পস্নাবন ভুমি এলাকার গড় উচ্চতা কত? – সমুদ্র পৃষ্ট হতে প্রায় ৯.১৪ মিটার বা ৩০ ফুট।

সমুদ্র তল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা কত? – ৩৭.৫০ মিটার।

সমুদ্রতল থেকে বগুড়ার উচ্চতা কত? – ২০ মিটার।

সমুদ্রতল থেকে নারায়নগঞ্জ এবং রাজশাহীর উচ্চতা কত? – ৮ মিটার।

বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য কত? – ৫,১৩৮ কিলোমিটার। (৭১১ কিঃমিঃ সমুদ্র উপকূলসহ)

বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য কত? – ৭১১ কিঃ মিঃ বা ৪২২ মাইল।

কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য কত? – ১৫৫ কিলোমিটার।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত? – ১২ নটিক্যাল মাইল।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত? – ২০০ নটিক্যাল মাইল।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত কত? – ৪,১৫৬ কিঃমিঃ।(পশ্চিমবঙ্গ-২২৬২ কিঃমিঃ, আসাম-২৬৪ কিঃমিঃ, মেঘালয়-৪৩৬ কিঃমিঃ,ত্রিপুরা-৮৭৪ কিঃমিঃ ও মিজোরাম-৩২০ কিঃমিঃ)

ভারতের সাথে বাংলাদেশের অমিমাংশিত সীমান্ত কত? – ৬.৫ কিলোমিটার।(২০১১ সালে সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে, কিন্তু এখনও কোন দেশের সংসদে অনুমোদিত হয়নি)

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়? – ১৬ মে, ১৯৭৪।

মায়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত কত? – ২৭১ কিঃমিঃ।

বাংলাদেশের কোথায় কোথায় পর্বত আছে? – পার্বত্য চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেটে।

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে কোন দ্বীপ অবস্থিত? – সেন্টমার্টিন।

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি? – সেন্টমার্টিন।

দক্ষিণ তালপট্টির ভারতীয় নাম কি? – পূর্বাশা দ্বীপ বা নিউমুর।

দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্ত কোথায়? – লালমানরহাট জেলার পাটগ্রাম থানায়।

দহগ্রামের আয়তন কত? – ৩৫ বর্গ কিঃ মিঃ।

ভারতের ভেতরের বাংলাদেশের কতটি ছিটমহল আছে? – ৫১ টি।

বাংলাদেশী ছিটমহলগুলো ভারতের কোন জেলার অর্ন্তগত? – পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলার।

বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের কতটি ছিটমহল আছে? – ১১১টি। লালমনিরহাটে ৫৯টি, পঞ্চগড়ে ৩৬টি, নীলফামারীতে ৪টি এবং কুড়িগ্রামে ১২ টি।

ভারতের মধ্যে বাংলাদেশী ছিটমহলগুলোর আয়তন কত? – ৭১১০.০২ একর।

তিনবিঘা করিডোরের বিনিময়ে ভারতকে কোন ছিটমহল হস্তান্তর করে? – বেরুবাড়ী।

তিনবিঘা করিডরের পরিমাপ কত? – ১৭৮ মিটার ও ৮৫ মিটার।

কোন তারিখে তিনবিঘা করিডোর ভারত খুলে দেয়? – ২৬ জুন, ১৯৯২।

লালমনিরহাট জেলা থেকে তিনবিঘার দূরত্ব কত? – ৮০ মাইল।

আলুটিলা পাহাড় কোথায় অবস্থিত? – খাগড়াছড়ি জেলায়।

“চন্দ্রনাথের পাহাড়” কেন বিখ্যাত? – হিন্দুদের তীর্থ স্থানের জন্য।

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত থানা শহর কোনটি? – টেকনাফ।

বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে অবস্থিত থানা শহর কোনটি? – তেতুলিয়া।

বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমে থানা শহর কোনটি? – শিবগঞ্জ (চাপাইনবাবগঞ্জ)

বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের উপজেলা কোনটি? – থানচি।

আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তম থানা কোনটি? – শ্যামনগর।

বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষূদ্রতম থানা (আয়তনে)? – লালবাগ।

বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু পাহাড় কোনটি? – গারো পাহাড়।

লালমাই পাহাড় কোথায় অবস্থিত? – কুমিল্লা।

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি? – তাজিওডাং (বিজয়) উচ্চতা-১২৩১ মিটার।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি? – কেওক্রাডাং, উচ্চতা ১২৩০ মিটার।

দুবলার চর কোথায় অবস্থিত? – নোয়াখালী।

কোন জেলায় চর মানিক ও চর জব্বার অবস্থিত? – ভোলা জেলায়।

চর কুকড়ি মুকড়ি ও চর নিউটন কোথায় অবস্থিত? – ভোলা জেলার চরফ্যাশনে।

মুহুরীর চর কোথায় অবস্থিত? – ফেনী জেলায়।

বাংলাদেশের বৃহত্তম বিলের নাম কি? – চলনবিল।

চলনবিল কোথায় অবস্থিত? – পাবনা ও নাটোর জেলায়।

তামাবিল কোথায় অবস্থিত? – সিলেট জেলায়।

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর কোনটি? – হাকালুকি হাওর।

হাকালুকি হাওর কোথায় অবস্থিত? – সিলেট জেলায়।

বাংলাদেশের বিখ্যাত জলপ্রপাত কোনটি? – মাধবকুন্ড জলপ্রপাত।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত? – মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায়।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাতের উৎপত্তিস্থল কোথায়? – মৌলভীবাজার জেলায়।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাতে কতফুট ওপর থেকে পানি নিচে পতিত হয়? – ২৫০ ফুট।

বাংলাদেশের সাথে সরাসরি সীমান্ত যোগাযোগ আছে কোন কোন দেশের সাথে? – ভারত ও মায়ানমারের সাথে।

বাংলাদেশের সাথে ভারতের কয়টি রাজ্যের সীমান্ত আছে? – ৫ টি (পশ্বিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম)

কোন যুগে বাংলাদেশের পাহাড়সমূহ গঠিত হয়? – টারশিয়ারী যুগে।

ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোনটি? – চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।

বাংলাদেশের দক্ষিণে ভারতের কোন দ্বীপপুঞ্জ আছে? – আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ।

অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারী পাহাড়কে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে? – দুই ভাগে।

বাংলাদেশের মোট নদ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায়-? – ২৪,১৪০ বর্গ কিঃমিঃ।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নো ম্যানস ল্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়? – জিরো পয়েন্টে উভয় দিকে ৪৫০ ফুট পর্যন্ত জমি।

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের প্রথম

Posted by with No comments

 

 সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের প্রথম

 


 

বাংলাদেশের প্রথম

(সরকার ও প্রশাসন)

প্রথম রাষ্ট্রপতি — শেখ মুজিবুর রহমান

প্রথম সাংবিধানিক রাষ্ট্রপতি — বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী

প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি — সৈয়দ নজরুল ইসলাম

প্রথম গণপরিষদ অধিবেশন — ১০ এপ্রিল ১৯৭২

প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী — খন্দকার মোশতাক আহমেদ

প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী — এ এইচ এম কামরুজ্জামান

প্রথম অর্থমন্ত্রী — ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী

প্রথম সেনাবাহিনী প্রধান — জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী

প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান — এ.কে খন্দকার

প্রথম প্রধান বিচারপতি — এ এস এম সায়েম

প্রথম নির্বাচন কমিশনার — বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস

প্রথম গণপরিষদ স্পিকার — শাহ আব্দুল হামিদ

প্রথম জাতীয় সংসদ স্পিকার — মোহাম্মদ উল্লাহ

প্রথম আইজিপি — এম এ খালেক

প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশ — ভুটান

প্রথম ঢাকা বাংলার রাজধানী — ১৬১০ সালে

প্রথম আদমশুমারী — ১৯৭৪ সালে

প্রথম প্রথম বাজেট পেশকারী — তাজউদ্দিন আহমেদ

প্রথম উপজাতীয় রাষ্ট্রদূত — শরবিন্দু শেখর চাকমা

বাংলাদেশে প্রথম

(নারী ব্যক্তিত্ব)

প্রথম এভারেষ্ট জয়ী — নিশাত মজুমদার

প্রথম প্রধানমন্ত্রী — বেগম খালেদা জিয়া

প্রথম বিরোধীদলীয় নেত্রী — শেখ হাসিনা

প্রথম কূটনীতিবিদ — তাহমিনা হক ডলি

প্রথম বিচারপতি — নাজমুল আরা সুলতানা

প্রথম পাইলট — কানিজ ফাতেমা রোকসানা

প্রথম সংসদ স্পিকার — শিরীন শারমিন চৌধুরী

প্রথম অভিনেত্রী — পূর্ণিমা সেনগুপ্ত

প্রথম মুসলিম অভিনেত্রী — বনানী চৌধুরী

প্রথম বীর প্রতীক খেতাব লাভকারী — ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম

প্রথম জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি — ইসমাত জাহান

বাংলাদেশের প্রথম

(স্থাপনা)

প্রথম জাদুঘর — বরেন্দ্র, রাজশাহী

প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র — বেতবুনিয়া, রাঙামাটি

প্রথম গ্যাসক্ষেত্র — হরিপুর, সিলেট

প্রথম তেলক্ষেত্র — হরিপুর, সিলেট

বাংলাদেশের প্রথম

(সংস্থা/প্রতিষ্ঠান প্রধান)

প্রথম বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর — এ এন এম হামিদুল্লাহ

প্রথম পি এস এসি চেয়ারম্যান — এ কিউ এম বজলুল করিম

প্রথম ঢা.বি ভিসি — পি.জে হার্টস

প্রথম শিক্ষা কমিশন চেয়ারম্যান — ড. কুদরত-এ-খুদা

প্রথম দুদকের চেয়ারম্যান — বিচারপতি সুলতান হোসেন খান

বাংলাদেশের প্রথম

(খেলাধুলা সম্পর্কিত)

প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহন — ১৯৯৯ (সপ্তম বিশ্বকাপে)

প্রথম জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক — জাকারিয়া পিন্টু

প্রথম গ্রান্ড মাস্টার — নিয়াজ মোর্শেদ

প্রথম বিশ্বকাপে ক্রিকেট দলের জয় — স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে (১৯৯৯)

প্রথম টেস্ট ক্যাপ্টেন — নাঈমুর রহমান দুর্জয়

প্রথম টেস্ট জয় — জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে (২০০৫)

প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় — জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে (২০০৫)

প্রথম ওয়ানডে জয় — কেনিয়ার বিপক্ষে (১৯৯৮)

প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় — জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে (২০০৫)

বিদেশে প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় — কেনিয়ার বিপক্ষে (২০০৬)

প্রথম আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ— ১৯৭৯ সালের ৩ আগস্ট

প্রথম অলিম্পিকে অংশগ্রহন — ১৯৮৪ (লস এঞ্জেলস অলিম্পিক)

বাংলাদেশে প্রথম

(চালু হয়)

প্রথম তথ্য কমিশন — ১৫ জুলাই ২০০৯

প্রথম ১০০ টাকার নোট চালু হয় — ২৭ অক্টোবর ২০০৮

প্রথম বাংলা একাডেমি পুরষ্কার — ১৯৬০

প্রথম বাংলা একাডেমি বইমেলা — ১৯৭৮

প্রথম নোট চালু — ৪ মার্চ ১৯৭২

প্রথম বিমান চালু — ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২

প্রথম স্বাধীন বিচার বিভাগের যাত্রা — ১ নভেম্বর ২০০৭

প্রথম কর ন্যায়পাল কার্যক্রম — ৯ জুলাই ২০০৬

প্রথম জাতীয় জন্ম নিবন্ধন — ৩ জুলাই ২০০৭

প্রথম রঙিন টেলিভিশন — ১ ডিসেম্বর ১৯৮০

প্রথম আয়কর দিবস — ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮

প্রথম মূল্য সংযোজন কর — ১৯৯১ সালে

প্রথম খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা — ১৯৯৩ সালে

প্রথম সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা — ১৯৯২ সালে

প্রথম ডাকটিকিট — ২৯ জুলাই ১৯৭১

প্রথম নারী ট্রাফিক — ১১ মার্চ ২০১০

বাংলাদেশে প্রথম

(গবেষণা কেন্দ্র/প্রতিষ্ঠান)

প্রথম কুমির গবেষণা কেন্দ্র – ভালুকা

প্রথম চিংড়ির গবেষণা কেন্দ্র – বাগেরহাট

প্রথম নারী কারাগার – কাশিমপুর, গাজীপুর

প্রথম হাইটেক পার্ক – কালিয়াকৈর, গাজীপুর

প্রথম নভোথিয়েটার – বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার

প্রথম চা গবেষণা কেন্দ্র – শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার

প্রথম মসলা গবেষণা কেন্দ্র – বগুড়া

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

Posted by with No comments

 

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি


 

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

জাতীয় ভাষা — বাংলা

জাতীয় সঙ্গীত — আমার সোনার বাংলা (১ম ১০ চরণ)

জাতীয় পাখি — দোয়েল।

জাতীয় ফুল — শাপলা

জাতীয় ফল — কাঁঠাল

জাতীয় পশু — রয়েল বেঙ্গল টাইগার

জাতীয় বন — সুন্দরবন

জাতীয় বৃক্ষ — আমগাছ

জাতীয় মাছ — ইলিশ

জাতীয় জাদুঘর — জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ, ঢাকা।

জাতীয় পতাকা — সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত

জাতীয় কবি — কাজী নজরুল ইসলাম

জাতীয় পার্ক — শহীদ জিয়া শিশু পার্ক

জাতীয় উৎসব — বাংলা নববর্ষ

জাতীয় খেলা — কাবাডি (হাডুডু)

জাতীয় স্মৃতিসৌধ — সম্মিলিত প্রয়াস, সাভার

জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস — ২৬ মার্চ

জাতীয় প্রতীক — উভয় পাশে ধানের শীষ পরিবেষ্টিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা।তার মাথায় পাট গাছের পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয় পাশে দুটি করে তারকা।

জাতীয় ধর্ম — ইসলাম

জাতীয় মসজিদ — বায়তুল মোকাররম

জাতীয় মন্দির — ঢাকেশ্বরী মন্দির

জাতীয় খেলার মাঠ — বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম

জাতীয় চিড়িয়াখানা — ঢাকা চিড়িয়াখানা, মিরপুর

জাতীয় উদ্যান — সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

জাতীয় পতাকা

বর্তমান ডিজাইনার — পটুয়া কামরুল হাসান।

মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকার প্রথম ডিজাইনার – শিব নারায়ণ দাস

প্রথম উত্তোলন করা হয় — ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে

প্রথম উত্তোলন করা হয় যে স্থানে — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের বটতলায়।

প্রথম উত্তোলন করেন – তৎকালীন ছাত্রনেতা ডাকসু ভিপি আ.স.ম. আবদুর রব

জাতীয় পতাকা দিবস পালন করা হয় — ২ মার্চ

জাতীয় সংগীতের সাথে প্রথম উত্তোলন করা হয় – ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে, পল্টন ময়দানে।

বিদেশী মিশনে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয় — ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতাস্থ বাংলাদেশ মিশনে।

বিদেশী মিশনে প্রথম উত্তোলন করেন — এম হোসেন আলী

জাতীয় পতাকা দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও লাল বৃত্তের অনুপাত যথাক্রমে — ৫:৩:১

জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি সরকারীভাবে গৃহীত হয় — ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি।

জাতীয় সংসদ ভবন

অবস্থান – ঢাকার শেরে বাংলানগরে

স্থপতি – প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই আই কান

নির্মাণ কাজ শুরু হয় – ১৯৬১ সালে

উদ্বোধন করা হয় – ১৯৮২ সালে

উদ্বোধন করেন – তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার

সংসদ ভবন এলাকার আয়তন – ২১৫ একর

সংসদ সংলগ্ন লেকটির নাম – ক্রিসেন্ট লেক

বর্তমান সংসদ ভবনের পূর্বে পূর্ব বাংলার আইনসভা হিসেবে ব্যবহৃত হয় – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল।

স্থাপত্য উৎকর্ষের জন্য আগা খান পুরষ্কার লাভ করেন – ১৯৮৯ সালে

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ – এক কক্ষ বিশিষ্ট

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতিক – শাপলা ফুল

*এ পর্যন্ত বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জাতীয় সংসদে বক্তৃতা করেছেন – ২ জন

বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ

অবস্থান – ঢাকার সাভারের নবীনগরে

স্থাপতি – সৈয়দ মাইনুল হোসেন

উচ্চতা – ১৫০ ফুট (৪৬.৫ মিটার)

অপর নাম – সম্মিলিত প্রয়াস

ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ১৯৭২ সালে।

উদ্বোধন করেন – তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হোসেন মুহাম্মদ এরশাদ, ১৯৮২ সালে।

গঠন – ৭ টি ত্রিভুজ আকৃতির দেয়াল নিয়ে গঠিত হয়েছে। এই ৭ টি দেয়াল আমাদের জাতীয় সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে নির্দেশ করে। যথা -

  • ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  • ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
  • ১৯৫৬ এর ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন
  • ১৯৬২ শিক্ষা আন্দোলন
  • ১৯৬৬ ছয়দফা আন্দোলন
  • ১৯৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান
  • ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ

রচয়িতা ও সুরকার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রচনার প্রেক্ষাপট – ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ

রচনাকাল – ১৯০৫ সাল, বাংলা ১৩১২ বঙ্গাব্দ

গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় – বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ১৯০৫ সালে।

ইংরেজি অনুবাদ করেন – সৈয়দ আলী আহসান

সর্বপ্রথম যে চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহার করা হয় – ১৯৭০ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত জহির রায়হানের 'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রে।

গানটিতে মোট চরণ আছে – ২৫ টি

জাতীয় সংগীত হিসেবে বিবেচিত – ১ম ১০ চরণ

কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বাজানো হয় – ১ম ৪ চরণ

বাংলাদেশের নদ–নদী

নদী গবেষণা বিদ্যাকে বলা হয় – পোটমোলোজি

যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয় – ১৯৭২ সালে

বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী – ৫৭ টি

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা – ৫৪ টি

মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকারী নদী – ৩ টি ( নাফ, সাঙ্গু, মাতামুহুরী)

বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট গঠিত হয় – ১৯৭৭ সালে

বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত – ভাঙ্গা, ফরিদপুর

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের নদী – ১ টি (পদ্মা)

বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী – হাড়িয়াভাঙ্গা নদী

বাংলাদেশের প্রধান নদী বন্দর – নারায়ণগঞ্জ

বাংলার সুয়েজখার বলা হয় – গাবখান নদী

কুমিল্লার দুঃখ বলা হয় – গোমতী নদীকে

বাংলার দুঃখ বলা হয় – দামোদার নদীকে

চট্টগ্রামের দুঃখ বলা হয় – চাকতাই খালকে

বাংলাদেশের জলসীমায় উৎপত্তি ও সীমান্ত নদী – হালদা

বাংলাদেশ ও মায়ানমার কে বিভক্তকারী নদী – নাফ (৬৫ কি.মি দৈর্ঘ্য)

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র যে নদীতে অবস্থিত – কর্ণফুলী

বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশকারী নদী – ১ টি (কুলিখ)

ব্রহ্মপুত্র নদের তিব্বতীয় অংশের নাম – সানপো

পশ্চিমা বাহিনীর নদী বলা হয় – বিল ডাকাতিয়াকে।

নদীর বর্তমান - পুরাতন নাম

যমুনা নদীর পুরাতন নাম → জোনাই

পদ্মা নদীর পুরাতন নাম → নলিনী

বুড়িগঙ্গা নদীর পুরাতন নাম → দোলাই

ব্রহ্মপুত্র নদীর পুরাতন নাম → লোহিত্য

নদ - নদীর উৎপত্তিস্থল

পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল – হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ

যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল – কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর

মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল – আসামের নাগ ও মনিপুর পাহাড়

কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল – আসামের লুসাই পাহাড়ের লংলেহ উপত্যকা

ব্রহ্মপুত্র নদীর উৎপত্তিস্থল – তিব্বতের কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর

করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল – সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল

সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল – আরাকান পর্বত

নদ-নদীর – মিলিতস্থান এবং প্রবাহ

পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলিতস্থান – চাঁদপুর → প্রবাহ মেঘনা

পদ্মা ও যমুনা নদীর মিলিতস্থান – গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী → প্রবাহ পদ্মা

তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর মিলিতস্থান – চিলমারী,কুড়িগ্রাম → প্রবাহ ব্রহ্মপুত্র

পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর মিলিতস্থান – ভৈরব বাজার → প্রবাহ মেঘনা

দ্বীপ

বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপের নাম – সুন্দরবন

পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপের নাম – বাংলাদেশ

বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা – ভোলা

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ – সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার

সেন্টমার্টিন দ্বীপের অপরনাম – নারিকেল জিঞ্জিরা

সাগর দ্বীপ বা দ্বীপ জেলা – ভোলা

সন্দীপ দ্বীপ অবস্থিত – চট্টগ্রাম

বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত দ্বীপ – মহেশখালী (কক্সবাজার)

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একমাত্র বিরোধপূর্ণ দ্বীপ – দক্ষিণ তালপট্টি

সবচেয়ে বড় দ্বীপ – ভোলা

দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপরনাম – নিউমুর/পূর্বাশা

বাংলাদেশের চর

মহুরীর চর অবস্থিত – ফেনী

দুবলার চর অবস্থিত – সুন্দরবনের দক্ষিণে

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী চর – নির্মল চর রাজশাহী

চর নিউটন, চর মানিক, চর মনপুরা, চর জব্বার অবস্থিত – ভোলায়

চর আলেকজান্ডার, চর গজারিয়া অবস্থিত– লক্ষ্মীপুরে

দুবলার চর, পাটনি চর অবস্থিত – সুন্দরবনে।

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশ বিষয়াবলী

Posted by with No comments

 

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশ বিষয়াবলী

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশ বিষয়াবলী

 

বাংলাদেশ বিষয়াবলী

উপত্যকা

বলিশিরা ভ্যালি – মৌলভীবাজার

হালদা ভ্যালি – খাগড়াছড়ি

সাঙ্গু ভ্যালি – চট্টগ্রাম

নাপিত খালি ভ্যালি – কক্সবাজার

ভেঙ্গি ভ্যালি ও মাইনীমুখী ভ্যালি – রাঙামাটি

পাহাড়

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাহাড় – গারো পাহাড় (ময়মনসিংহ)

পাহাড়ের রানী বলা হয় – চিম্বুক পাহাড়

লালমাই পাহাড় অবস্থিত – কুমিল্লা

চট্টগ্রামের বৃহত্তম পাহাড় – বাটালি পাহাড়

ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে – কুলাউড়া পাহাড়ে

বিল

বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল – চলন বিল

'ভবদহবিল' অবস্থিত – যশোর

'আড়িয়াল বিল' অবস্থিত – মুন্সিগঞ্জ

চলন বিলের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত নদী – আত্রাই নদী

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী বিল – তামাবিল, সিলেট।

লেক

'জাফলং লেক' অবস্থিত – সিলেট

'ফয়েজ লেক' অবস্থিত – চট্টগ্রামের পাহাড়তলী

'প্রান্তিক লেক ও বগা লেক' অবস্থিত – বান্দরবান

'ক্রিসেন্ট লেক' অবস্থিত – ঢাকায়

বাংলাদেশের ভৌগলিক উপনাম

ভাটির দেশ – বাংলাদেশ

মসজিদের শহর – ঢাকা

পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ – বাংলাদেশ

বার আউলিয়ার দেশ – চট্টগ্রাম

৩৬০ আউলিয়ার ভূমি – সিলেট

সাগরকন্যা – কুয়াকাটা

বাংলার শস্য ভান্ডার – বরিশাল

বাংলার কুয়েত – খুলনা

বাংলার দুঃখ – দামোদর নদী

প্রাচ্যের ডান্ডি – নারায়ণগঞ্জ

কুমিল্লার দুঃখ – গোমতি নদী

বাংলার ভেনিস – বরিশাল

বাণিজ্যিক রাজধানী – চট্টগ্রাম

উত্তর অঞ্চলের লাইফ লাইন – তিস্তা নদী

উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার – বগুড়া

দ্বীপজেলা – ভোলা

সাগরদ্বীপ – ভোলা

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান

ময়নামতি – কুমিল্লা

পাহাড়পুর – নওগাঁ

ষাট গম্বুজ মসজিদ – বাগেরহাট

বৈরাগির ভিটা – মহাস্থানগড়

বরেন্দ্র ভূমি – রাজশাহী

কান্তজীর মন্দির – দিনাজপুর

খোদাই পাথর ভিটা – মহাস্থানগড়

বাঘা মসজিদ – রাজশাহী

কুসুম্বা মসজিদ – নওগাঁ

আনন্দ বিহার – ময়নামতি, কুমিল্লা

লালমাই পাহাড় – কুমিল্লা

আহসান মঞ্জিল – ইসলামপুর, ঢাকা

বাংলাদেশের আদমশুমারী

কোন দেশের জনসংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে গণনাকে বলা হয় – আদমশুমারী

স্বাধীনতার পর প্রথম আদমশুমারী হয় – ১৯৭৪ সালে

অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আদমশুমারী হয় – ১৮৭২ সালে

আদমশুমারী কত বছর পরপর হয় – ১০ বছর

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আদমশুমারী হয় – ৫ বার

সর্বশেষ আদমশুমারী হয় – ২০১১ সালে

পরবর্তী আদমশুমারী – ২০২১ সালে

বর্তমান নাম – পুরাতন নাম

ময়মনসিংহ এর পুরাতন নাম – নাসিরাবাদ

সোনারগাঁও এর পুরাতন নাম – সুবর্ণগ্রাম

জামালপুর এর পুরাতন নাম – সিংহজানী

শরীয়তপুর এর পুরাতন নাম – ইন্দাকপুর, পরগনা

মুন্সিগঞ্জ এর পুরাতন নাম – বিক্রমপুর

বাংলা একাডেমি এর পুরাতন নাম – বর্ধমান হাউজ

টঙ্গী এর পুরাতন নাম – টুঙ্গী

গাজীপুর এর পুরাতন নাম – জয়দেবপুর

লালবাগ দুর্গ এর পুরাতন নাম – আওরঙ্গবাগ দুর্গ / কেল্লা

ফরিদপুর এর পুরাতন নাম – ফাতেহাবাদ

বাহাদুর শাহ পার্ক এর পুরাতন নাম – ভিক্টোরিয়া পার্ক

কুমিল্লা এর পুরাতন নাম – ত্রিপুরা

কক্সবাজার এর পুরাতন নাম – ফালকিং

নোয়াখালী এর পুরাতন নাম – ভুলুয়া

ফেনী এর পুরাতন নাম – শমসের নগর

রাঙামাটি এর পুরাতন নাম – হরিকেল

সেন্টমার্টিন দ্বীপ এর পুরাতন নাম – নারিকেল জিঞ্জিরা

নিঝুম দ্বীপ এর পুরাতন নাম – বাউলার চর

ময়নামতি এর পুরাতন নাম – রোহিতগিরি

নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল এর পুরাতন নাম – সমতট

সাতক্ষীরা এর পুরাতন নাম – সাতঘরিয়া

যশোর এর পুরাতন নাম – খলিফাতাবাদ

কুষ্টিয়া এর পুরাতন নাম – নদীয়া

খুলনা এর পুরাতন নাম – জাহানাবাদ

মহাস্থানগড় এর পুরাতন নাম – পুন্ড্রনগর / পুন্ড্রবর্ধন

গাইবান্ধা এর পুরাতন নাম – ভবানিগঞ্জ

সিলেট এর পুরাতন নাম – জালালাবাদ / শ্রীহট্ট

মুজিবনগর এর পুরাতন নাম – বৈদ্যনাথ তলা

দিনাজপুর এর পুরাতন নাম – গন্ডোয়ানাল্যান্ড

রাজবাড়ী এর পুরাতন নাম – গোয়ালন্দ

উত্তরবঙ্গ এর পুরাতন নাম – বরেন্দ্রভূমি

ভোলা এর পুরাতন নাম – শাহবাজপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর পুরাতন নাম – গৌড়

বাংলাদেশ এর পুরাতন নাম – বঙ্গ দ্রাবিঢ় / বাঙ্গালা / বাংলা / পূর্ববাংলা / পূর্ব পাকিস্তান

ঢাকা এর পুরাতন নাম – জাহাঙ্গীর নগর / ঢাবেক্কা / ঢুক্কা

চট্টগ্রাম এর পুরাতন নাম – ইসলামাবাদ / পোর্ট-গ্রান্ড, সাত-ইল-গঞ্জ / চট্টলা / চাটগাঁও

বরিশাল এর পুরাতন নাম – চন্দ্রদ্বীপ / বাকলা / ইসমাইলপুর

রচনা : ডিজিটাল বাংলাদেশ [ ৩টি রচনা ] দিন বদলের পালায় বাংলাদেশ

Posted by with No comments

রচনা : ডিজিটাল বাংলাদেশ [ ৩টি রচনা ] দিন বদলের পালায় বাংলাদেশ


 

ভূমিকা : বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ। আধুনিক এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে প্রতিদিন নতুন নতুন তথ্য ও সত্য উদ্ঘাটিত হচ্ছে। সময়ের বিবর্তনে রাজনীতি, অর্থনীতি, জলবায়ুর পরিবর্তনসহ নানা কারণে দ্রুত বদলে যাচ্ছে বিশ্বপ্রেক্ষাপট। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে বিশ্বে তথ্য প্রযুক্তির অনেক উন্নতি ঘটেছে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশেও লেগেছে প্রযুক্তির নামের জাদুর কাঠির ছোঁয়া। যার নাম ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’

ডিজিটাল বাংলাদেশ : ডিজিটাল বাংলাদেশ হলো কম্পিউটার এবং উন্নতর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া এবং জবাবদিহিতার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এটি একটি যুগোপযোগী, কিছুটা ব্যাপকভিত্তিক ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, এ পরিকল্পনার মাধ্যমে ই-গভর্নেন্স, ই-কৃষি, ই-স্বাস্থ্য, ই-বাণিজ্য, ই-ভূমি মালিকানা, ই-শিক্ষাসহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক সেবা নিশ্চিত করাই হলো ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য।

ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণার উদ্ভব : নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর নির্বাচনী ইশতেহার ‘দিন বদলের সনদ’-এর অংশ হিসেবে ২০২১ সালের মধ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার স্বপ্ন থেকেই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ধারণার উদ্ভব।

ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি : সাধারণভাবে বলতে গেলে একটি ডিজিটাল সমাজ নিশ্চিত করবে জ্ঞানভিত্তিক সমাজব্যবস্থা, যেখানে সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকাণ্ডে পর্যাপ্ত অনলাইন প্রযুক্তির প্রয়োগ নিশ্চিত হবে। বাংলাদেশকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ করতে গেলে এর সঙ্গে আনুষঙ্গিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বিশেষ নজর দিতে হবে। 

যেমন :

ক. বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলা : সর্বশেষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত দেশে সর্বোচ্ছ ১০,০৮৪ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে, যা আমাদের প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তাই এ কথা মনে রাখতে হবে যে, একটি পরিপূর্ণ তথ্যপ্রযুক্তি কাঠামো গড়ে ওঠার জন্য যথাযথ বিদ্যুতের ব্যবহার একান্ত প্রয়োজন। তাই বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় সরকারকে আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে।

খ. ইন্টারনেট ব্যবহার সম্প্রসারণ : তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য একটি দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়াতে হবে। ২০০৬ সাল থেকে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সুপার হাইওয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সমুদ্র তলদেশের সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ অর্জন ও বাস্তবতা : বিশ্বায়ন সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বলতে গেলে বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তি দ্রুত প্রসারের ফলে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বহির্বিশ্বের যোগাযোগ স্থাপন করেছে। আজ তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্য মোবাইল ফোনের ব্যবহার। এটি বাংলাদেশের যোগাযোগ মাধ্যমে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। তবে তথ্যপ্রযুক্তির অন্যান্য ক্ষেত্রে আমাদের অর্জন জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা থেকে অনেকখানি দূরে। দেরিতে হলেও বাংলাদেশ SEA-ME-WE4 সাবমেরিন ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ স্বপ্ন বাস্তবায়নে ইন্টারনেট কাঠামোর উন্নয়ন ও ইন্টারনেটের ব্যয় সাধারণের সীমার মধ্যে এনে সকল জনগণের জন্য তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আর না হয় বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপে গড়ার যে স্বপ্ন তা স্বপ্নই থেকে যাবে, বাস্তবে রূপান্তরিত হবে না।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে গৃহীত পদক্ষেপ : ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে বাংলাদেশ সরকার এ পর্যন্ত যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সেগুলোর কিছু অংশ নিচে উল্লেখ করা হলো : 

১. ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) : ১৭ জুন ২০১০ সালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাাচনে সীমিত পরিসরে কার্যকর হয়।

২. ই-ফাইল বা ডিজিটাল ফাইল : ডিজিটাল প্রশাসনের প্রথম ধাপ হিসেবে ও জানুয়ারি ২০১০ সালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ডিজিটাল নথি নম্বর চালু করে।

৩. মোবাইল মানি অর্ডার : এক ঘণ্টার মধ্যে টাকা পৌঁছানোর এ মোবাইল মানি ওর্ডার সার্ভিসটি ৯ মে ২০০৯ সালে ডাক বিভাগে চালু হয়।

৪. অনলাইন জিডি : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের থানাগুলোতে ৫ মে ২০১০ সালে কার্যক্রম শুরু হয়।

৫. আইসিটি মোবাইল ল্যাব : প্রথমবারের মতো দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে এটি চালু হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালে।

৬. অনলেইন টেন্ডার : সরকারি ক্ষেত্রে প্রথম ভূমি প্রশাসনে এটি চালু হয় ৪ অক্টোবর ২০০৯ সালে।

৭. মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট : ১ মে ২০১০ সালে ইস্যু করা হয়।

৮. প্রাথমিক পাঠ্যবইয়ের ওয়েব : চালু হয় ৪ জানুয়ারি ২০১০ সালে।

৯. দেশের ৬৪ জেলায় ওয়েব পোর্টাল www.dc(Zillaname)gov.bd চালু হয় ৬ জানুয়ারি ২০১০ সালে।

১০. মোবাইলে কৃষি সেবা : বাংলাদেশের বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানি কৃষি সেবার জন্য কৃষকদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছে।

১১. টেলিমেডিসিন সেবা : ডিজিটালাইজেশনের ছোঁয়ায় বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিষয়ক যে কোনো সমস্যার সমাধান এবং প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারে।

১২. ই-শিক্ষা : বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য, আবেদন, ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিজ নিজ স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জানা যায়। তাছাড়া পিইসি, জেএসসি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়। মাধ্যমিকের টেক্সট বইও এখন ইন্টারনেটে পাওয়া যায়।

১৩. হাইটেক পার্ক ও কম্পিউটার ভিলেজ স্থাপন : আইসিটি টাস্কফোর্স গঠন, আইটি শিল্পের বিকাশ ১০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন, দেশের বিভিন্ন স্থানে হাইটেক পার্ক, আইসিটি ইনকিউবেটর এবং কম্পিউটার ভিলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

উপসংহার : বর্তমান পৃথিবী তথ্যপ্রযুক্তির পৃথিবী। পরিবর্তনশীল পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রিক জ্ঞানভিত্তিক সমাজব্যবস্থার প্রচলন করতে হবে। এ স্বপ্নকেই ধারণ করছে ডিজিটাল বাংলাদেশ। বর্তমান বিশ্বে যে জাতি তথ্যপ্রযুক্তিতে যত বেশি দক্ষ তাদের সার্বিক অবস্থাও তত বেশি উন্নত। নানারকম প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপে গড়ে তোলা সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে সবাইকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক যত্নশীল হতে হবে।

একই রচনা অন্য বই থেকে সংগ্রহ করে আবার দেয়া হলো

ভূমিকা : বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৯৭১ সালে। তারপর থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিকে গড়ে তোলার সংগ্রাম শুরু। স্বাধীনতার ৪৭ বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও আমরা উন্নয়নশীলতার গণ্ডি থেকে বের হতে পারি নি। আসে কি আশানুরূপ অগ্রগতি। এর পেছনে প্রতিবন্ধক হয়ে আছে আমাদের আলস্য, নৈতিকতার অভাব, কাজের চেয়ে বেশি কথা বলার প্রবণতা এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অগ্রসর না হওয়া ইত্যাদি। ফলে আমাদের সবকিছুই হচ্ছে মন্থর গতিতে। এই মন্থরতা কাটিয়ে দেশের কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা সৃষ্টিতে ডিজিটাল পদ্ধতি কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। ডিজিটাল পদ্ধতি বাংলাদেশের সকল কর্মকাণ্ডের সাথে ক্রমান্বয়ে প্রযুক্তির ব্যবহার সংযুক্ত হলেই গড়ে ওঠবে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

ডিজিটাল বাংলাদেশ কী? : আমাদের প্রধানমন্ত্রি বাংলাদেশকে ২০২০ সালের মধ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। এ ডিটিজাল বাংলাদেশ বলতে আমরা সংক্ষেপে যা বুঝতে পারি তা হলো- সারা দেশে কর্মকাণ্ডকে আধনিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সিস্টেমের মাধ্যমে অর্থাৎ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দিয়ে গতিশীল করে তোলা। সরকারি অফিস-আদালত, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, রাজপথ ও হাইওয়ে রোডগুলোর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে কম্পিউটারের ইন্টারনেট সিস্টেমে এক জায়গায় বসে বাংলাদেশের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। অর্থাৎ সমগ্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ড এবং বহির্বিশ্বেকে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসতে পারলে বাংলাদেশের সর্বক্ষেত্রে যে সফলতা অর্জিত হবে, তাকেই আমরা বলতে পারি ডিজিটাল বাংলাদেশ। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করাকে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে পারি।

শিক্ষা ক্ষেত্রে : শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে প্রথমেই শিক্ষার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকের লেকচার বা বক্তব্য ভিডিও করে প্রজেক্টরের মাধ্যমে দেওয়ালে সাদা পর্দায় তা প্রদর্শন করা যায়। এটি শিক্ষাথৃীদের মনোযোগ আকর্ষণের সহজ পদ্ধতি। কোনো শিক্ষকের শারীরিক সমস্যা দেখা দিলেও এ পদ্ধতিতে সহজে কাজ সম্পন্ন হতে পারে। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে এ পদ্ধতিতে ঘরে বসেও শিক্ষা গ্রহণ করা যায়। নিজস্ব বই না থাকলেও, লাইব্রেরিতে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না- ইন্টারনেটের ওয়েবসাইট থেকে খুঁজে নিয়ে তা পড়ে ফেলা যায়। এভাবে ডিজিটাল পদ্ধতি শিক্ষাক্ষেত্রে উৎকর্ষ বয়ে আনতে পারে। তবে একে সর্বজনীন করার জন্য ব্যাপক সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।

চিকিৎসা ক্ষেত্রে : চিকিৎসা নাগরিকের মৌলিক চাহিদাগুলোর একটি। চিকিৎসা ক্ষেত্রে আধুনিক বিজ্ঞান এক নতুন বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে। বিজ্ঞানীদের সাধনায় একদিকে যেমন আবিষ্কৃত হযেছে নাা জটিল রোগের ঔষধ, তেমনি চিকিৎসার পদ্ধতিও ক্রমে ক্রমে সহজ হয়ে আসছে। এক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপিত হলে ডাক্তারের কাছে সরাসরি উপস্থিত না হয়ে ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করে ব্যবস্থাপত্র গ্রহণ করা যায়। যেকোনো ধরনের শারীরিক সমস্যায় ঘরে বসে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করা যেতে পারে। বিষয়টি সরকারি উদ্যোগে সর্বজনীন হয়ে উঠলে এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

কৃষিক্ষেত্রে : বাংলাদেশের শতকরা প্রায় ৯০ জন লোক কৃষির ওপর নির্ভরশীল। বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের ফলে কৃষিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। বিজ্ঞানের বদৌলতে উদ্ভাবিত হয়েছে উন্নত জাতের বীজ, পরিবেশ বাবন্ধব সার ও উচ্চ ফলনশীল প্রজাতির শস্য। অনাবৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাও উদ্ভাবিত হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের কৃষকসমাজ অধিকাংশ নিরক্ষর হওয়ার কারণে সবকিছুর সফল ব্যবহার করতে পারছে না। তাই কৃষকদের যথার্থ প্রশিক্ষণ দিয়ে উপযুক্ত করে তুলতে পারলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ওয়েভসাইট থেকে নানা বিষয় জেনে নিয়ে তা কাজে লাগাতে পারে। তাহলে এক্ষেত্রেও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠতে পারে।

অফিস-আদালতে : বাংলাদেশের অধিকাংশ অফিস-আদালতে কাজের গতি অত্যন্ত মন্থর এবং সর্বক্ষেত্রে ওঁৎ পেতে আছে দুর্নীতির কালো থাবা। অফিসগুলোতে সি সি ক্যামেরা স্থাপন করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের আওতায় এনে একস্থানে বসে প্রশাসনকে গতিশীল, কর্মমুখি ও দুর্নীতিমুক্ত করা যায়। এ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে চালু করা হলে কেউ আর অফিসে বসে কাজ রেখে আরামপ্রিয়-মগ্ন হবে না এবং ঘুষ-দুর্নীতির সন্ধানে ব্যস্ত রাখবে না নিজেকে। তখনই কুশাসনের পরিবর্তে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং গড়ে উঠবে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

নিরাপত্তা বিধানে : নিরাপত্তা সর্বক্ষেত্রেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে জাতির কোনো নিরাপত্তা নেই সে জাতি কখনোই উন্নতির দিকে এগিয়ে যেতে পারে না। এক্ষেত্রে সি সি ক্যামেরা স্থাপন ও ইন্টারনেটের সাথে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সংযোগ সাধন করে নিরাপত্তা বিধান করা সম্ভব। কেননা, দুষ্কৃতিকারীরা কোনো অঘটন ঘটিয়ে সাময়িকভাবে পালিয়ে গেলেও পরবর্তীকালে ক্যামেরার বদৌলতে ধরা পড়তে বাধ্য। এর জন্য যদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়, তবে অন্যরাও এ কাজ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেবে। নিশ্চিত হবে জাতির নিরাপত্তা। আর জাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই গতিশীল হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে : ক্রয়-বিক্রয় মানুষের জীবনে একটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী কেনার জন্য প্রতিদিনই আমাদের হাটে বাজারে বা কোনো শপিংমলে যেতে হয়। কম্পিউটার নেটওয়ার্কের বিস্তার ঘটানো হলে ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে এবং বর্তমানে সীমিত আকারে তা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পছন্দ করা, দাম-দস্তুর করা এবং অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করে দ্রব্যসামগ্রী ঘরে বসে পেয়ে যাওয়া সবই সম্ভব। শুধু দেশই নয়, বিদেশের সাথেও একটি কার্যকর হবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। এ পদ্ধতি ব্যাপকভাবে চালু হলেই ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে।

যোগাযোগের ক্ষেত্রে : যোগাযোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা গতিশীল না হলে দেশের সার্বিক উন্নতি বাধাগ্রস্ত হয়। বর্তমানে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সাহায্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার অনেককিছুই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। বিশেষ করে আকাশ পথ এখন কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন গ্রহে রকেট উৎক্ষেপণ করা হলে যোগাযোগ থাকছে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সাথে। নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে সমুদ্র পথ। মুহূর্তের মধ্যে একদেশের সাথে আরেক দেশের যোগাযোগ স্থাপিত হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সারা দেশকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসা যায়।

প্রকাশনার ক্ষেত্রে : প্রকাশনার ক্ষেত্রে অনেক আগেই কম্পিউটার সিস্টেম চালু হয়েছে আমাদের দেশে। আগে যে বইটি ছেপে বের হতে দু মাস সময় লাগত, বর্তমানে তা দু দিনেই সম্ভব। বাংলাদেশের কোনো বাংলা বই বিদেশ থেকে প্রকাশ করতে চাইলে এখন আর কোনো সমস্যাই নেই। সবকিছু ফাইনাল করে কয়েক মিনিটের মধ্যে তা নির্ধারিত দেশে পাঠিয়ে দেওয়া যায় এবং সে দেশের কোনো বই এ পদ্ধতিতে নিয়ে এসে আমাদের দেশে দ্রুত গতিতে প্রকাশ করা যায়।

সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে : সংবাদপত্রে ক্ষেত্রে কম্পিউটার এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি সংবাদপত্র একই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রকাশিত হচ্ছে। তাই এখন আর ঢাকা থেকে যানবাহনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী বা সিলেটে পত্রিকা পাঠাতে হচ্ছে না। বিশেষ করে প্রথম শ্রেণির পত্রিকাগুলোর ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা কার্যকরী হচ্ছে। আবার বিদেশি পত্রিকাগুলো আমরা পড়তে পারছি ইন্টারনেটের মাধ্যমে। অনেক আগের পত্রিকাও খুঁজে বের করে নেওয়া যাচ্ছে ওয়েবসাইট থেকে।

বিনোদনের ক্ষেত্রে : বিনোদনের ক্ষেত্রে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। খেলাধুলা, সিনেমা ইত্যাদি থেকে শুরু করে নানা ধরনের আনন্দ উপভোগ করা যাচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে। খেলা যাচ্ছে নানা ধরনের গেম। ইন্টারনেটের সাহায্যে অন্য কোনো দেশে চলমান খেলার ফলাফল মুহূর্তের মধ্যেই জানা যাচ্ছে।

ব্যাংক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে : কম্পিউটার সিস্টেম ব্যাংক ব্যবস্থাকে গতিশীল করে তুলেছে। বেশ কয়েকটি ব্যাংকে চালু হয়েছে অনলাইন সিস্টেম। এখন আর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বা দূর দূরান্তের কোনো জেলায় নগদ টাকা বহন করে নিয়ে যেতে হয় না। কম্পিউটারের সাহায্যে অনলাইন ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে তা সমাধা করা যায় ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে। একজনের হিসাব থেকে অন্য কারও হিসেবে মুহূর্তের মধ্যে টাকা পাঠানো যায়। সকল ব্যাংক এ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হলে গড়ে উঠবে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

অনলাইন তথ্য কেন্দ্র স্থাপন : বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি তথ্যসেবা জনসাধারণের দোর-গোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব অনলাইন তথ্যকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে। এসব তথ্যকেন্দ্র থেকে মানুষ বিভিন্ন ডাটা বা তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। জানতে পারবে সর্বশেষ প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থা ও অবস্থান। বর্তমানে নির্বাচন কমিশন প্রতিটি উপজেলায় সার্ভার স্টেশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। এ সার্ভার স্টেশন চালু হলে ভোটাররা তাদের নিজ উপজেলায় বসে নতুন ভোটার হওয়া, ভুল সংশোধন, পরিবর্তনসহ যাবতীয় তথ্য আপডেট করতে পারবে। অন্যান্য সেক্টরেও এ ধরনের সার্ভার স্টেশন চালু হলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে ওঠার স্বপ্ন বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত হবে।

উপসংহার : বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। দেশটিকে উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে হলে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটাতে হবে। আর উন্নয়ন ঘটাতে হলে কাজের কোনো বিকল্প নেই। কাজের মধ্যদিয়েই ভালোবাসতে হবে দেশকে। প্রশাসনকে করে তুলতে হবে কার্যকর ও গতিশীল। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে অগ্রসর হতে হবে। তবেই প্রতিষ্ঠিত হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

একই রচনা অন্য বই থেকে সংগ্রহ করে আবার দেয়া হলো

ভূমিকা : ‘ডিটিজাল বাংলাদেশ’ বর্তমান সময়ে রাজনীতি, গণমাধ্যম, বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের বহুল ব্যবহৃত ও বহুল প্রচলিত একটি শব্দ। ২০২১ সালে পালিত হবে বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী। তাই, বাংলাদেশে এ সময়ের মধ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে। উন্নত দেশসমূহের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্যে এটি একটি সময়োচিত পদক্ষেপ। পৃথিবী ধীরে ধীরে ডিজিটাল পৃথিবীতে পরিণত হয়েছে। পৃথিবীর প্রায় সকল জ্ঞানভিত্তিক সমাজব্যবস্তার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশকেও এর থেকে বাইরে থাকলে চলবে না। কিন্তু একটি দেশকে ডিজিটাল দেশে তৈরি করার স্বপ্ন দেখা যতই সহজ হোক না কেন তা বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন।

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এর অর্থ : ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কী এ বিষয়কে বুঝতে হলে আমাদের আগেই জানতে হবে একটি দেশ কীভাবে ডিজিটাল দেশে পরিণত হতে পারে। একটি দেশকে তখনই ডিজিটাল দেশ (Digital Country) বলা যাবে যখন তা ‘ই-স্টেট’ (e-state)-এ পরিণত হবে। অর্থাৎ ঐ দেশের যাবতীয় কার্যাবলি যেমন : সরকার ব্যবস্থা, শাসনব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি প্রভৃতি কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তাই আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে তখনই ডিজিটাল বাংলাদেশ বলবো যখন উপরি-উক্ত বিষয়গুলো যথাযথ অনুসরণ করা হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট : বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ডিজিটাল বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যয়। ২০০৮ সালে সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর নির্বাচনী ইশতেহারে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। ফলে একটি বিশাল সংখ্যক তরুণ ভোটার তাদেরকে ভোট দিয়েছে। এর ফলাফল হচ্ছে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা। এখন যদি সরকার বিজ্ঞানসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে তবে বাংলাদেশের মানুষের জন্যে তা স্বপ্ন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অবশ্য ক্ষমতাসীন দল ও প্রধান বিরোধী দল (বিএনপি) বা উভয়ই তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি (Information Communication Technology বা সংক্ষেপে ICT) উন্নয়নকে মৌলিক ইস্যু হিসেবে গুরুত্ব দিয়েছে।

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি : সাধারণভাবে বলতে গেলে একটি ডিজিটাল সমাজ নিশ্চিত করবে জ্ঞানভিত্তিক সমাজব্যবস্থা, যেখানে সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকাণ্ডে পর্যাপ্ত অনলাইন প্রযুক্তির প্রয়োগ নিশ্চিত হবে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ নিশ্চয়তা দেবে দ্রুত ও কার্যকর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি সুশাসিত সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার। এক্ষেত্রে শক্তিশালী তথ্যপ্রযুক্তি কাঠামো মূলভিত্তি। কঠিন বাস্তবতাকে অতিক্রম করে বাংলাদেশকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বলতে গেলে এর সঙ্গে আনুষঙ্গিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বিশেষ নজর দিতে হবে। যেমন :

ক. বিদ্যুৎ ঘাটতি : ২০১১ সালের এক পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় বাংলাদেশকে ৫০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদার ক্ষেত্রে দৈনিক ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতির মুখোমুখি হতে হয়। একথা বলে রাখতে হবে যে, একটি পরিপূর্ণ তথ্যপ্রযুক্তি কাঠামো গড়ে ওঠার জন্যে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন একান্ত প্রয়োজন।

খ. নেটওয়ার্ক-কাঠামো : ঢাকার বাইরে এখন পর্যন্ত খুবই কমসংখ্যাক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কাঠামো উন্নয়নের ধারায় আসতে পেরেছে। ঢাকা শহরের বাইরের কিছু উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করে তথ্য পাওয়া গেছে যে, বেশির ভাগ LAN ঢাকা কেন্দ্রিক। এই পর্যবেক্ষণ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের পার্থক্যকে প্রতীয়মান করে।

গ. ইন্টারনেট ব্যবহার : তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের জন্যে একটি দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়াতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা অতি রূঢ়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহার হারে বাংলাদেশের অবস্থান সব চেয়ে নিচুতে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান (ITU, ২০০৭) থেকে জানা যায় আমাদের দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার মাত্র ০.৩% যেখানে পাকিস্তান ও ভারতে যথাক্রমে ৭.৩% এবং ৫.৩%।

ঘ. ইংরেজি শিক্ষার হার : বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়, বাংলাদেশে ইংরেজিতে শিক্ষিতের হার এক শতাংশের কম যেখানে ভরত ও পাকিস্তানে এর পরিমাণ যথাক্রমে ৬০ এবং ২০ শতাংশ। মূলত ইংরেজি ভাষা ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার বিশ্বায়নকে ত্বরান্বিত করছে। অন্যদিকে তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারি নি। এজন্যেই আমাদের দেশে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন করতে ইংরেজি শিক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

ঙ. সমুদ্রের তলদেশের সাবমেরিন ক্যাবল : ২০০৬ সাল থেকে বাংলাদেশের সেঙ্গ বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সুপার হাইয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সমুদ্র তলদেশের সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে। কিন্তু একটি মাত্র সাবমেরিন ক্যাবল প্রায়শই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

এছাড়াও আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এর সঙ্গে জড়িত। তবে উপরি-উক্ত বিষয়গুলো নিয়ামকের ভূমিকা পালন করে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ অর্জন ও বাস্তবতা : বিশ্বায়ন সম্পর্কে আরও ভালোভাবে বলতে গেলে বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তি দ্রুত প্রসারের ফলে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বহির্বিশ্বে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। আজ তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্য মোবাইল ফোনের ব্যাপক ব্যবহার ও ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’ স্থাপন। এটি বাংলাদেশের যোগাযোগ মাধ্যমে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। তবে তথ্যপ্রযুক্তির অন্যান্য ক্ষেত্রে আমাদের অর্জন জ্ঞানভিত্তিক সমাজব্যবস্থা থেকে অনেকখানি দূরে। দেরিতে হলেও বাংলাদেশ SEA-ME-WE4 সাবমেরিন ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তবে শহরের কিছু উচ্চবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানেরা ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে। এর একটা বিশেষ অংশ আবার ফ্যাশন ও বিনোদনের খাতিরে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। তবে বেশির ভাগ জনগণই ইন্টারনেট ব্যবহার থেকে দূরে আছে। উচ্চ মূল্যে যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয় তবে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপে গড়ার যে স্বপ্ন তা স্বপ্নই থেকে যাবে, বাস্তবে রূপান্তরিত হবে না।

ডিজিটাল বাংলাদেশ-এর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ : ডিজিটাল বাংলাদেশ উন্নয়নের একটি চলমান প্রক্রিয়া। যারা ভাবে একটি নির্দিষ্ট সময়ে ও একটি নির্দিষ্ট বাজেটে কাজটি করা সম্ভব, তারা বোকার রাজ্যে বাস করছে। এই বিশাল কর্মপদ্ধতি চালানোর জন্যে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরি করতে গেলে আমাদের উন্নয়নের একটি বিজ্ঞানসম্মত নকশা তৈরি করতে হবে। এ স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হলে প্রথমেই ‘e-readiness’ প্লান তৈরি করে তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী মানবশক্তি তৈরি করতে হবে। ইন্টারনেট কাঠামোর উন্নয়ন ও ইন্টারনেটের ব্যয় সাধারণের সীমার মধ্যে এনে সকল জনগণের জন্যে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সর্বোপরি সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি কাজে ইন্টারনেটের ব্যবহার করে স্বচ্ছতা আনা ইত্যাদি বাংলাদেশকে ডিজিটালায়নে সহযোগিতা করবে। এ জন্যে গনগণকে পরিবর্তনশীল মানসিকতার পরিচয় দিতে হবে এবং সরকারি রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি বিরোধীদলসমূহকেও মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। গ্রাম ও শহর অঞ্চলের মধ্যে একটি ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রেও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত ও সহজলভ্য করতে হবে।

উপসংহার : বর্তমান পৃথিবী তথ্যপ্রযুক্তির পৃথিবী। পরিবর্তনশীল পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রিক জ্ঞানভিত্তিক সমাজব্যবস্থার প্রচলন করতে হবে। এ স্বপ্নকেই ধারণ করছে ডিজিটাল বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের স্বাধীন হওয়া আমাদের এ মাতৃভূমি ২০২১ সালে ‘সুবর্ণ জয়ন্তী’ পালন করবে। এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হবে- এটি সকলেরই প্রত্যাশা। তবে এ প্রত্যাশাকে বাস্তবায়ন করা সহজ নয়, যা রীতিমতো একটি যুদ্ধ। নানারকম প্রতিবন্ধকতা ও সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর এ সময়ের মধ্যেই আমাদের তথ্যপ্রযুক্তির এ যুদ্ধে জয়লাভ করে বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করতেই হবে।

 


Thursday, March 24, 2022

Sohagdal KPU Secondary School-সোহাগদল কে পি ইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয় : EIIN Number Address Phone etc

Posted by with No comments

 

Sohagdal Kpu Secondary School- সোহাগদল কে পি ইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়  : EIIN Number Address Phone etc

Sohagdal Kpu Secondary School is a Secondary School located at Sohagdal, Nesarabad (Swarupkati), Pirojpur, Barisal in Bangladesh. It is a Non-Government School. Its education level is Secondary . The phone number of Sohagdal Kpu Secondary School is +8801712724212. Below, you will get more information about Sohagdal Kpu Secondary School including EIIN Code, Phone Number, Address, Management Type, MPO Status, Review, Admission Guidelines, etc. 
Sohagdal Kpu Secondary School is a Secondary School located at Sohagdal, Nesarabad (Swarupkati), Pirojpur, Barisal in Bangladesh. It is a Non-Government School. Its education level is Secondary . The phone number of Sohagdal Kpu Secondary School is +8801712724212. Below, you will get more information about Sohagdal Kpu Secondary School including EIIN Code, Phone Number, Address, Management Type, MPO Status, Review, Admission Guidelines, etc.
 

EIIN stands for Educational Institute Identification Number. The EIIN of Sohagdal Kpu Secondary School is given below.

Institute Name: Sohagdal Kpu Secondary School.
Sohagdal Kpu Secondary School EIIN code: 102995.

Sohagdal Kpu Secondary School Phone Number

Sohagdal Kpu Secondary School Phone Number: +8801712724212.

In the following table, you will find more detailed information about Sohagdal Kpu Secondary School.

Sohagdal KPU Secondary School Information-সোহাগদল কে পি ইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়

Institute Name:Sohagdal Kpu Secondary School
EIIN Code:102995
Institute Type:School
Division ID:10
Division Name:Barishal
District ID:1079
District Name:Pirojpur
Thana ID:107987
Thana Name:Nesarabad (Swarupkathi)
Union ID
10798776
Union Name:Sohagdal
Mauza ID
10798776776
Mauza Name:Purba Sohagdal
Area Status:Rural
Geographical Status:Plain Land
Address:Sohagdal
Post Office:Sohagdal
Management Type:Non-Government
Mobile Number:+8801712724212
Student Type:Co-Education Joint
Education Level:Secondary
Affiliation:Recognize
MPO Status:Yes